
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা জাহিদ হাসান বুলবুল হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। শুক্রবার সকালে মদনপুর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে তারা বিক্ষোভ করেন।
বিক্ষোভকারীরা মহাসড়কে টায়ার ও বাঁশ-কাঠে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন। এতে সড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিক্ষোভকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, বুলবুল হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এ অবরোধ করা হয়। তবে মামলায় এরই মধ্যে নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মামলার প্রধান আসামি শেখ সিফাতও রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় বুলবুলকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। নিহত বুলবুল ওই এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে।
স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়াকে কেন্দ্র করে বুলবুলের রিকশার গ্যারেজে সিফাত বাহিনী লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় সিফাতকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন বুলবুল। এরপর মামলা তুলে নিতে তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে বুলবুলকে একা পেয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ ও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে বাগ্বিতণ্ডার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।